উলিপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ  : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
উলিপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ  : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

উলিপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ 

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২
উলিপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ 

উলিপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। পড়ুন>>> অ্যানিমিয়া অথবা রক্তস্বল্পতা থেকে রেহাই পেতে প্রাকৃতিক ভাবে রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর কৌশল

এতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এ কাজ চলতে দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।রোগীদের রুই, কার্প মাছের পরিবর্তে পাঙাশ মাছ, চিকন চালের পরিবর্তে মোটা চালের ভাত  সরবরাহ করা হয়।

 “প্রতিদিন একজন রোগীর খাবারের বরাদ্ধ ১৭৫ টাকা। নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করায় অনেক রোগী তা খেতে পারেন না।”

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, দরপত্র অনুযায়ী একজন রোগীর জন্য প্রতিদিন সকালে ১টি রুটি, ১টি কলা, ১টি ডিম ও ২৫ গ্রাম চিনির জন্য মোট ৩ টাকা ২৫ পয়সা বরাদ্দ রয়েছে। পড়ুন >> রক্তদান করলে কিকি উপকার পাবেন

এ ছাড়া দুপুর ও রাতে চিকন চালের ভাত, কাতল বা রুই মাছ, খাসি বা ব্রয়লার মুরগির মাংস, মুগ ডাল, ফুলকপি, আলু, শিম, পটোলসহ সর্বমোট ১৭৫ টাকার বরাদ্দ রয়েছে।

” স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার সরবরাহকারী ঠিকাদার ও  জানান, হাসপাতালে কী খাবার দেওয়া হচ্ছে, তা আমার জানা নেই “

ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে প্রায় ৬ বছর ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাবার সরবরাহ করে আসছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর আলমগীরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স অন্বেয়া ট্রেডার্স।

সরেজমিন দেখা যায়, দুপুরে ভর্তিকৃত রোগীদের খাবার দিচ্ছেন মমতাজ নামে একজন নারী। দুপুরের খাবারে রয়েছে পাঙাশ মাছের তরকারি ও মোটা চালের ভাত।

তিনি বলেন, শনিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার মাংসের তরকারি দেওয়া হয়। এ ছাড়া অন্যান্য দিন মাছ দেওয়া হয়। ঠিকাদারের লোক আমাকে যা এনে দেয়, আমি তাই রান্না করে সরবরাহ করি।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার সরবরাহকারী ঠিকাদার ও উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর আলমগীর জানান, হাসপাতালে কী খাবার দেওয়া হচ্ছে, তা আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেশকাতুল আবেদ বলেন, হাসপাতালের বিষয়টি দেখাশুনার জন্য আরএমওকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক কর্মকর্তা (আরএমও) মাঈদুল ইসলাম রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, নিম্নমানের খাবার সরবরাহের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!